ফেসবুক চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত ৩১ জুলাই
ফেসবুক, এক্স, টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আগামী ৩১ জুলাই। ওই দিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনে বৈঠক করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, এনটিএমসি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানসহ খাত সংশ্লিষ্টরা ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানাগেছে।
সূত্রমতে, শনিবার এই বৈঠকের বিষয়ে তাদের কাছে মেইল করে তলব করা হয়েছে। সেখানে কিছু বিষয়ে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। রবিবার বিটিআরসি সম্মেলনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আমরা গতকাল বিটিআরসি থেকে ফেসবুক, টিকটক সহ জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে একটা চিঠি দিয়েছি। চিঠিতে গত এক মাসে দেশে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা ও বিভিন্ন ধরনের গুজব, অপপ্রচার ছড়িয়েছে সে কনটেন্টগুলোর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে লেখা চিঠিতে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউব তাদের নিজস্ব কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন মেনে কি বাংলাদেশে সাইবার স্পেস ব্যবহার করতে চায়? তারা নিজেরাই নিজেদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অমান্য করে তারা কি বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন কোনো পলিসি অ্যাপ্লাই করেছে? নাকি অন্যান্য দেশের চেয়ে ভিন্ন কোনো অবস্থান নিচ্ছে? এসব বিষয়ে তাদের ৩১ জুলাই বিটিআরসিতে এসে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেছেন, একদল ষড়যন্ত্রকারী গুজব ছড়িয়ে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে সেগুলো আমরা বিভিন্ন সময় তাদের পাঠিয়েছি। কিন্তু যতটুকু তারা টেকডাউন করেছে, যতগুলো প্লাটফর্ম তারা টেকডাউন করেছে সেই সংখ্যাটা অতিনগন্য। আমরা দেখতে পারছি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমর্থনে যেই পেইজ বা অ্যাকাউন্টগুলো কাজ করতো এমন ৫০টি পেইজ/অ্যাকাউন্ট তারা ব্লক করে দিয়েছে। কিন্তু একই ধরনের কাজ বিএনপি’র ভেরিফাইড পেইজ কিংবা সাজাপ্রাপ্ত আসামী তারেক জিয়া ফেসবুকে কিংবা ইউটিউব লাইভে এসে যে বক্তব্য দিচ্ছে সকল কন্টেন্টগুলো কেন ব্লক করা হচ্ছে না, টেক ডাউন করা হচ্ছে না? অথচ গত কিছুদিন হলো যেসব কন্টেন্ট শিশু, নারীদের জন্য অবমাননাকর, অগ্নিসংযোগ, হত্যাকাণ্ড প্রচার করা হলো সেগুলো বিষয়ে তারা কোনো দায়িত্বশীল প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। ভূমিকা রাখেনি। মিস ইনফরমেশন ফ্লাগ দেখানো হয়নি। এটা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। তারা এসে যুক্তি ও ব্যাখ্যা দিয়ে এটা বোঝাতে আগামী ৩১ তারিখে তাদের বৈঠক করবো। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে পরে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুলে দেওয়া হবে।







